কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় পানিতে ডুবে পাঁচ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তাদের মৃত্যুতে তিন থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নিকলী উপজেলায় তিনজন এবং মিটামইন ও করিমগঞ্জ উপজেলায় একজন করে শিশু মারা যায়।

মৃতরা হলো-নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের হাফসরদিয়া গ্রামে ভূঁইয়া বাড়ির জামান ভূঁইয়ার ছেলে সায়ন (৫) ও মিলাত ভূঁইয়ার মেয়ে মুন আক্তার (৪) এবং উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের কাঁঠালকান্দি গ্রামের কাজল মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (৫)।

এছাড়া মিটামইন উপজেলার গোপদীঘি ইউনিয়নের খাসাপুর গ্রামের কবীর মিয়ার মেয়ে মুক্তা (৯) এবং  করিমগঞ্জ উপজেলার কিরাটন ইউনিয়নের গৌরারগোপ (গাবতলি) গ্রামের ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মাহিন (৭) পানিতে ডুবে মারা গেছে।

নিকলী থানার ওসি শামসুল আলম সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে হাফসরদিয়া গ্রামে সায়ন ও মুন খেলতে গিয়ে সবার অজান্তে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে খোজাঁখুজি করে তাদেরকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুটি শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে, কাঁঠালকান্দি গ্রামে পানিতে ডুবে মারা যায় সুমাইয়া আক্তার জানিয়ে তিনি বলেন, বেলা ১টার দিকে পরিবারের লোকজনের অজান্তে বাড়ির পাশে হাওরের পানিতে সুমাইয়া পড়ে যায়। পরে ৩টার দিকে শিশুটিকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মিটামইন থানার ওসি জাকির রাব্বানী জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে খাসাপুর গ্রামে দুপুরে সবার নজর এড়িয়ে হাওরের পানিতে পড়ে মুক্তা (৯) মারা যায়।

করিমগঞ্জ থানার ওসি মুমিনুল ইসলাম জানান, গৌরারগোপ (গাবতলি) গ্রামে দুপুরে সবার অজান্তে বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে পড়ে মাহিন (৭) মারা যায়।

একটি উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে